Posts

Showing posts from October, 2025

ক্রিকেটে মুখোমুখি দুই বলদ

Image
ক্রিকেটে মুখোমুখি দুই বলদ” — এই কথাটা শুনতে মজার, কিন্তু এতে আসলে একটা ব্যঙ্গ বা হাস্যরস লুকিয়ে আছে। 😄 এটা সাধারণত ব্যবহার করা হয় যখন দুইজন খেলোয়াড় বা দুইটি দল একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে লড়াই করে, যেন তারা যুক্তি বা কৌশলের বদলে জেদে বা অহংকারে খেলছে — ঠিক যেন “দুই বলদ মাঠে মুখোমুখি হয়েছে”! 🐂🐂 উদাহরণস্বরূপ: যদি কোনো ম্যাচে দুই ব্যাটসম্যান বারবার অযথা শট খেলতে গিয়ে আউট হয়, বা দুই বোলার একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দলের ক্ষতি করে, তখন দর্শকরা মজা করে বলে — 👉 “এই দুইজন তো একদম ক্রিকেটের দুই বলদ!” তুমি চাইলে আমি এই লাইনটা দিয়ে একটা মজার ফেসবুক পোস্ট বা মিম ক্যাপশন বানিয়ে দিতে পারি — চাও কি? 😄  

চট্টগ্রামের আবাসিক ভবনের আগুণ ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

Image
চট্টগ্রামের একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের বিভিন্ন তলায়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ভবনের ভেতরে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও উপস্থিত থেকে উদ্ধার কাজে সহায়তা করেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ভবনের কয়েকজন বাসিন্দা ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন, তবে আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা...

নতুন দলের আত্নপ্রকাস দলের নাম

Image
গণফোরাম অবশেষে “জুলাই সনদ”-এ সই করেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই সনদ মূলত একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারনামা, যেখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ নির্বাচন, নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলনসহ কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল এ সনদের খসড়া প্রণয়নে কাজ করছিল। গণফোরামের যোগদানকে অনেকে বিরোধী ঐক্যের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ছাড়া দেশের স্থিতিশীলতা আসবে না। জুলাই সনদ সেই লক্ষ্যেই তৈরি।” তিনি আরও জানান, গণফোরাম এ সনদের সব পয়েন্টে একমত এবং ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে অংশ নেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই সনদে গণফোরামের সই করা শুধু একটি রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বরং বিরোধী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেকদিন ধরে বিভক্ত বিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে সমন্বয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই পদক্ষেপ। সরকারপক্ষ অবশ্য এটিকে “রাজনৈতিক নাটক” বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, এই সনদ গণতন্...

এনসিপিকে কি প্রতিক দিল

Image
প্রতীক হিসেবে শাপলা প্রশ্নে অনড় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে দলটি। রবিবার (১৯ অক্টোবর) ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে এমন লিখিত দাবি জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এদিকে এনসিপিকে কেন শাপলা প্রতীক দেওয়া যাবে না, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী নীলা ইসরাফিল। তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন,  সম্প্রতি NCP-এর নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন ‘শাপলা প্রতীক কেন তাদের দেওয়া যাবে না?’ তিনি আইনি ব্যাখ্যা চেয়েছেন। আমি মনে করি, প্রশ্নটা করার অধিকার যেমন তার আছে, তেমনি আইনের ব্যাখ্যাটা পরিষ্কার করে বলা আমাদেরও দায়িত্ব। যদিও আমি আইনের ছাত্রী নই, তবু যেটুকুন বুঝি সেটুকুন জায়গা থেকে বলা।  প্রথমেই স্পষ্ট করা দরকার, ‘শাপলা’ শুধু একটা ফুল না, এটা বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক। সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিলে (Second Schedule) স্পষ্টভাবে বর্ণনা আছে, জাতীয় প্রতীকে শাপলা ফুলকে কেন্দ্র করে ধান, পাট ও জ্যোতির্ময় সূর্য ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ ‘শাপলা’ জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রবিন্দু।

মাছ ধরার বোট ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা

Image
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু গোষ্ঠী এমনভাবে ‘পিআর’ বা প্রচারণা চালাচ্ছে যেন জনগণকে বিভ্রান্ত করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, “পিআরের নামে এখন এমন এক অবস্থা তৈরি হয়েছে যেখানে নিজের দায়িত্ব না নিয়ে অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা হচ্ছে। অর্থাৎ, নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যকে দোষারোপ করা এখন প্রচলিত রীতি।” দুদু আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাজ হওয়া উচিত জনগণের পাশে থাকা, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলা। কিন্তু কিছু দল এখন শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ইমেজ তৈরিতেই ব্যস্ত, বাস্তবে জনগণের কোনো উপকারে আসছে না। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের মদদে কিছু পিআর গ্রুপ মিথ্যা তথ্য ও প্রচারণা ছড়িয়ে বিরোধী দলকে